mohammad
Fri, 05 January 2024 at 4:11 pmতরিকার মধ্যে ভূলত্রুটি
প্রিয় পাঠক! জটিল একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি। তরিকতের মূল বিষয় হলো এহছান বা তাজকিয়া অর্থাৎ ক্বলবে ছলিম হাসীল করা। বর্তমানে শেরেক, বেদাত, দুনিয়া দারীর অনু প্রবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অন্য দিকে সাম্যের ধর্ম ঐক্যের ধর্ম ইসলামের মধ্যে বিভাজন লক্ষ্য করা যায়। এর মুল কারন আলোচনা করা কঠিন ব্যাপার । বিংশ শতাব্দীর পূর্বে পীর মুরিদীর মধ্যে এগুলো দেখা যায়না। এর কারন গুলি আমার নিকট নিম্ন রুপ।
১। পীরের অযোগ্যতা অথবা পূর্বে যোগ্য ছিল বর্তমানে আল্লাহর নেয়ামত আর নাই। বর্তমানে হেকমত কুটবুদ্ধির মাধ্যমে মান সম্মান বাচানোর জন্য বা দুনিয়া কামাইয়ের জন্য কাজ করছে।
২। অযোগ্য ব্যাক্তিকে খেলাফত প্রদান বা অযোগ্য ব্যাক্তি কে গদী নীশিন করা। একশত বৎসর পূর্বে গদীনীশিন করার প্রথা ছিলনা। এই গদীনীশিন কে কেন্দ্র করে কোর্টে মামলা হয়েছে। ঝগড়া, মারামারী দলাদলী হচ্ছে।
বয়ান ও তা’লীম- ১৭
…………………………………………………………………………………..
৩। এলেম ও হেলেমের অভাব, রুপক শব্দের অপব্যাখা প্রদান। স্বপ্ন ও হালাত কে দলিল মনে করে নিজের বা সমাজের আকিদা নষ্ট করা।
৪। মজ্জুব ব্যাক্তির কথা বা কাজের অনুসরন করা, হক্কানী ওলীদের হতে ও কোন সময় কিছু কথা বা হাল হতে পারে তাকে দলিল মনে করা।
৫। যাদুকর সন্যাসী, বাউল, বৈষ্টমগন অনুপ্রবেশ করে ভ্রান্ত আকিদা প্রচার করে সমাজ নষ্ট করে, তার প্রমান মাইজ ভান্ডার, এনায়েতপুরী, আটরশী, দেওয়ানবাগ, শুরেশ^র।
৬। আনুমানিক দুইশত বৎসর পূর্বে সৈয়দ মাওঃ গোলাম রহমান মাইজভান্ডার আহলে হক ছিলেন তিনি হঠাৎ মজ্জুব হয়ে যান এর পর থেকেই বেদায়াত চালু হয়।
একশত বৎসর পূর্বে মাওঃ আহমাদ আলী সুরেশ^^র ইনি সুফি ফতেহ্ আলী (রহ.) এর মুরিদ ছিলেন, অন্য খলিফা ফুরফুরার মাওঃ আবুবকর (রহ.) তার খলিফা ছিলেন, ইনি আহলে হক।
৭। এছাড়া আদাবুল মুরিদের সীমা লংঘন, এশকে মাজাজীকে এশকে হাকিকী মনে করা। মানুষিক রোগের কারনে ভূল বলা বা করা।
৯। অন্ধ অনুকরন, আল্লাহ ওয়ালাদের ভুল ত্রুটি বা লগজেস হতে পারে তারা তওবা করে নিবেন। কিন্তু মুর্খ্য মানুষ না দেখে অনুসরন করে পথভ্রষ্ট হয়।
১০। কঠিন ভাব ও ভাষাকে বুঝতে ভুল করে আমল করা বা অনুস্বরন করা।
১১। পীরের নির্দেশ ছারা সাধনা করা। সাধারন মুর্খ্য মানুষকে উপরের ছবক দেয়া। গোলাম আহাম্মাদ কাদিয়ানীর সাধনাও তাই ছিল (তিনি একাধারে ৬মাস চেল্লাকাসি করেছিলেন কোন পীরের নির্দেশ ছারা)।